সিংগাইর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নুরুদ্দিন ষড়যন্ত্রের শিকার

সংবাদ জমিন ডেস্ক ঃঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নুরুদ্দিন ষড়যন্ত্রের শিকার। শিক্ষকদের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা চালিয়ে,সাংবাদিকদের নিকট বিভিন্ন অনৈতিক তথ্য দিয়ে কলেজের মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছেন। কলেজের বিধি-বিধান না মেনে তারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে পাঠদানে ব্যঘাত ঘটাচ্ছে। তারা প্রতিহিংসার রাজনীতি নিয়েই বেশি ব্যতিব্যস্ত থাকেন।রোববার(১০এপ্রিল) রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ঐ কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নুরুদ্দিন।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অধ্যক্ষ নুরুদ্দিন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,দৈনিক ইত্তেফাকে আমার বিরুদ্ধে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা প্রতিহিংসার জের ধরেই প্রকাশ করা হয়েছে। এসব সংবাদ প্রকাশের সাথে কলেজের শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী একটি শিক্ষক গ্রুপও জড়িত আছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উপবৃত্তির ফরম বাবদ ৫০ টাকা করে ফি নেয়ার ঘটনাটি জানতাম না। ঘটনাটি আমি যখন জানতে পারি তখন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মানিক চন্দ্র বসাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করি এবং রেজিস্টারে স্বাক্ষর গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করি। ইতিমধ্যে সকল শিক্ষার্থীর টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন,কলেজের উপাধ্যক্ষ মো: রোজাউল শামীম তার কক্ষে কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এনামুল হক,এসএম ফখরুল ও খালিদুর রহমানের উপস্থিতিতে ইত্তেফাক প্রতিনিধিকে ডেকে এনে আমার কলেজের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশে প্ররোচিত করা হয়। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী এসব শিক্ষকরা কলেজটি যাতে সরকারিকরণ না হয় তার জন্য অব্যাহত ভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে।

লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ইত্তেফাক প্রতিনিধির সাথে আমার সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হয় তার নিজ বাড়ি যাওয়ার রাস্তা নিয়ে। কারণ তার বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি আমার কলেজ হোস্টেলের পাশ দিয়ে নেয়া হয়েছে।শিক্ষা নীতিমালা ও অনুমোদন ছাড়াই কলেজ হোস্টেলের গাছ কেটে রাস্তা নেয়ার সময় আমি বাঁধা প্রদান করি। তাছাড়া তিনি কলেজের পরিচালনা পরিষদের সদস্য হতে চেয়েছিলেন, আমি নিয়মের বাইরে যেতে রাজী হয়নি। আর এসব ঘটনা মনে রেখেই সে আমার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার জের ধরে সংবাদগুলো প্রকাশ করে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।