বদলগাছীতে স্কুল জাতীয় করণ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

বদলগাছী(নওগাঁ)প্রতিনিধি ঃঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারণে স্কুল জাতীয় করণ না হওয়ায় সকল শিক্ষকগন উৎকন্ঠায় আছেন। প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহের অবহেলার কারণে জাতীয়করন কার্যক্রম থেমে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে অন্যান্য শিক্ষকদের মাঝে। এতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা একদিকে পদোন্নতি থেকে পিছিয়ে পড়ছেন অপরদিকে সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। জানা যায় বদলগাছী উপজেলার সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বদলগাছী সরকারী মডেল পাইলট হাই স্কুল। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির প্রথম ২০১৬ সালে সারা দেশে ৩২৮ টি বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম ধাপে সরকারী করনের জন্য নওগাঁ জেলার দুই বিদ্যালয় তালিকাভুক্ত হয়। যার একটি

বদলগাছী পাইলট হাই স্কুল এবং অপরটি আত্রাই উপজেলার আহসান গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়। পরবর্তীতে সরকারী নির্দেশনায় রাজশাহী উপপরিচালকের তত্বাবধানে জাতীয়করনের কাজ শুরু হয়। উপপরিচালক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে মতামত মন্ত্রনালয়ে পাঠায় । বিদ্যালয়ের স্থাবর অস্থাবর সব সম্পত্তি সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পর্যায়ক্রমে মন্ত্রনালয় সকল বিদ্যালয়কে কাগজপত্র নিয়ে তলব করে। ২০১৯ সালের ১ আগষ্ট মন্ত্রনালয় সভার আয়োজন করলে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাফ্ফর হোসেন সহ আর ও এক জন শিক্ষক সকল কাগজপত্র নিয়ে সভায় যোগ দেয়ার জন্য ঢাকায় যান।

তবে মন্ত্রনালয়ের পাস একটা থাকায় বাকি দুই শিক্ষককে রাইরে রেখে তিনি একাই সভায় অংশ গ্রহন করে। অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ ওই সভায় যোগ দেওয়ার প্রাক্কালে জানতে পারেন একাধিক সনদ পত্রে তৃতীয় শ্রেণি থাকা শিক্ষক,প্রধান শিক্ষক হিসাবে জাতীয়করনের আওতায় আসবেনা। বিষয়টি জানার পর তিনি সভায় অনুপস্থিত দেখিয়ে ফিরে এসে বাকি দুই শিক্ষককে সভা বাতিলের কথা জানান। পরে মন্ত্রনালয় ২০২০ সালের ৫ নভেম্বর শিক্ষকের কাগজ পত্র জমা দেয়ার নিদের্শ দিলে স্কুলের সকল শিক্ষকের চাপে বাধ্য হয়ে সর্বশেষ সভায় কাগজপত্র জমা দেন তা মূল্যায়ন হয়নি। আহসানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম সভায় কাগজ জমা দেয়ার জন্য সেই স্কুল ২০২১ সালের ফ্রেব্রæয়ারি মাসে শিক্ষকগন গেজেটেড হন।

বদলগাছী সরকারী পাইলট হাইস্কুলের সকল শিক্ষকমন্ডলী অভিযোগ করে বলেন প্রথম সভায় আমাদের কাগজ জমা দিলে আমরা শিক্ষক গন গেজেটেড হতে পারতো। কিন্ত আমাদের প্রধান শিক্ষকের একাধীক সনদ তৃতীয় শ্রেণি থাকায় তিনি জমা দেননি। এব্যপারে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য স্কুলে গেলে তিনি ছুটিতে আছেন মোবাইল ফোনে তিনি বলেন বাংলাদেশের ৩০৫টি স্কুল সরকারী হওয়ার তালিকা ভুক্তছিল এর মধ্যে ৫০টি হয়েছে পর্যয় ক্রমে আমাদের টাও হবে। তিনি আরো বলেন শিক্ষকরা যা বলছে, তা মিথ্যা কথা বলছে। স্কুলের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলপনা ইয়াসমিন বলেন ইতি পূর্বে কাগজ পত্রদী জমা হয়েছে কিনা জানিনা তবে আমি নিজেই শিক্ষকদের যাবতীয় কাগজ পত্র সচিবালয়ে জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করব