পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ ঝুঁকিহীন এক নিরাপদ বিনিয়োগ

মো. আলতাফ হোসেন ঃঃ
মানুষের কল্যাণে গাছ স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি। গাছ পরিবেশ বন্ধু, আমাদের পরিবেশ সুরক্ষায় গাছের অবদান অপরিসীম। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গাছ খুব বেশি অপহার্য। গাছের অপর নাম জীবন। মানুষ ও সমগ্র প্রাণিকূলকে অক্সিজেন দিয়ে গাছ আপন মমতায় বাঁচিয়ে রাখে। প্রতিটি গাছ অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জনগণিকে গাছ রক্ষা করে । গাছের সাথে মানুষের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ওধু তাই নয় গাছ ঝুঁকিহীন এক নিরাপদ বিনিয়োগ। গাছের অর্থনৈতিক গুরুত্বকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। গাছ লাগানো সবিশেষ সওয়াবের কাজ । বৃক্ষ রোপন সদকায়ে জারিয়া। গাছ মানুষের শান্তি ও মঙ্গলের প্রতীক।

গাছ অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের আর্থিক সাশ্রয় করে। গাছের ছায়া তাপমাত্রা কমিয়ে আমাদের আবাসস্থল সুশীতল করে। গাছ আমাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা শিক্ষা সবোপরি মৌলিক চাহিদা পূরণে সুদূর প্রসারি ভূমিকা পালন করে।
আন্তর্জাতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের শিকার হতে পারে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ। কারণ বৃক্ষ নিধনসহ নানাবিধ কারণে জলবায়ুর আমূল পরিবর্তন হচ্ছে ফলে বন্যা ও খরার প্রবণতা বৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। উত্তাপ বৃদ্ধির ফলে হিমবাহের গলনে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি পলি জমে সমুদ্রের তলদেশ ভরাট হয়ে যাবে। ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাবে। এ বেড়ে যাওয়া ১ মিটার হলেই বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মোট আয়তনের ১৫.৮ শতাংশ স্থলভাগ তলিয়ে যাবে। আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ১৭ ভাগ ভূমি সাগর জলে তলিয়ে যাওয়াও বিচিত্র নয়। কারণে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বাংলাদেশের ভূখন্ডে ঢুকে ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। ফলে সুস্বাদু পানির প্রাপ্যতা হ্রাস পেয়েছে, দ্রুত বেড়ে চলছে লবণাক্ততা। ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন শতকরা ৩০ ভাগ কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়ার মতো নয়। ঋতুচক্র পরিবর্তনের কারণে বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য। বাংলাদেশের অহংকার তথ্য বিশে^র প্রধান ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দর বনের প্রায় ৫ হাজার প্রজাতির গাছের ১০৬টির অস্তিত্ব এরই মধ্যে প্রায় বিলিপ্ত।

প্রাকৃতিক নিয়মেই উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে গঠিত যে জীববৈচিত্র্য তা একে অপরের সাহায্য নিয়ে যেমন বেঁচে থাকে, তেমনি পরিবেশের ভাবসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সম্মিলিত অভাবে অবদান রাখে অসামান্য। প্রাকৃতিক পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সুন্দর বনের বিপুল পরিমাণে গাছপালা ও পশুপাখির ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল সমতল ভূমি এবং উপকূল এলাকায় রয়েছে বেশ কিছু বণাঞ্চলে। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড় এলাকার বনে গর্জন, সেগুন, জারুল এবং রাসায়নিক জাতীয় বৃক্ষ পাওয়া যায়। দিনাজপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের বনাঞ্চলের নানা জাতের গাছ পালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় অনেকটা সহায়তা করছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিম খুলনা ও পটুয়াখালী জুড়ে অবস্থিত পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দর বন। দীর্ঘকাল ধরে দেশের জীববৈচিত্র্য তথ্য পরিবেশ সুরক্ষায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। প্রায় ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার আয়তনের বন দেশের মোট বনভূমির প্রায় ৪৪ শতাংশ জুড়ে। এখানে প্রচুর সুন্দরী , গেওয়া এবং কেওয়া গাছ ছাড়াও রয়েছে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্র্য হরিণ ও নানা প্রজাতির বানর, যা এক বিরল দৃষ্টান্ত।

প্রাকৃতিক পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সুন্দর বনের বিপুল পরিমাণ গাছপালা ও পশুপাখির ভূমিকা অপরিসীম। কারণ উপকূলীয় বনে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে বাতাস আর্দ্র থাকে। বনভূমি যে কোনো উৎস থেকে আসা পানি প্রবাহের চাপ কমায় এবং ভূমিক্ষয় ও ভূমি ধ্বস থেকে দেশের মাটিকে রক্ষা করে। অধিক গাছপালা বায়ুমন্ডলের উত্তাপ কমিয়ে দিয়ে বাতাসে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং বাতাস থেকে কার্বণ ডাই অক্সাইড শুষে নেয়। এমনকি বন যান বাহনের কারো ধোঁয়ার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে বায়ুমন্ডলকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। বণাঞ্চল বিশেষ করে ঝড়-ঝাঞ্ঝা, সাইক্লোন, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে প্রাকৃতিক বাঁচিয়ে রাখে। প্রায় প্রতিবছর বাংলাদেশের উপকূলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে, বাধাগ্রস্থ হয়েছে দেশের সামগ্রিক আর্থ সামাজিক অগ্রগতি। আগামীতে দেশের মোট ভূমির ২০ শতাংশ বনায়ণের আওতায় আনা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছিলো। এ লক্ষে-বৃক্ষহীন অথচ বনভূমি হিসেবে চিহ্নিত ৭ লাক্ষ ৫৮ হাজার একর জমিতে নতুন গাছ লাগানোর কথা রয়েছে।

প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে অধিকতর বনাঞ্চল সৃষ্টি করা অত্যাবশ্যক। এক্ষেত্রে উপকূলীয় বনায়নেরও কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষে ব্যক্তিগত এবং সরকারী উদ্যোগে বাড়ীর আঙ্গিনা থেকে শুরু করে পতিত জমি, নদী ও রাস্তার পাড়ে প্রচুর গাছ লাগানো দরকার। দেশের অরক্ষিত বিশাল চরাঞ্চলসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বনাঞ্চল সৃষ্টি করে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা জরুরি। সরকারি বেসরকারী ও সমন্বিত উদ্যোগে দীর্ঘ মেয়াদি বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন এবং রোপিত গাছপালার নিয়মিত পরিচর্যা দেশের বনজসম্পদ বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। উপকূলীর বনভূমি সুরক্ষাসহ উপকূলীয় এলাকায় নতুন বণাঞ্চল সৃষ্টি জোরদার করা হলে তা ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন জলোচ্ছ্বাস ও বন্যার মতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্বিপাক থেকে দেশকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে। পুরনো বন সংরক্ষণ, নতুন বণাঞ্চল সৃষ্টি এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করে দেশের বনভূমিকে আশাব্যঞ্জক পর্যায়ে উণ্নীত করা অবশ্যই সম্ভব। জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়নশীর্ষক এক সম্মেলণে প্রতিটি দেশে বণাঞ্চল বৃদ্ধির লক্ষে ‘ন্যাশনাল ফরেস্ট্রি অ্যাকশন প্রোগ্রাম’ তৈরির আহবান জানানো হয়েছে বেশ আগে। তাতে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেশের বনজসম্পদ রক্ষা, বৃদ্ধি, পরিবেশ উন্নয়ন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ফরেস্ট্রি মাস্টার প্লান প্রণয়ণ করা হয়েছে।
প্রতিবছরের মতো আষাঢ়-শ্রাবণে সারাদেশে অনুষ্ঠিত বৃক্ষ মেলা শুরু হবে। দেশের বিভিন্ন চারা বিক্রি হবে। শহরে গ্রামের নার্সারিগুলোর কলম চারা কিনতে পাওয়া যাবে। মানুষ কিনে গাছের চারা লাগাবে। বাড়ির আঙিনায় ভবনের ছাদেও রকমারি গাচ লাগাতে দেখা যাবে। মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। এ আগ্রহকে ধরে রাখতে হবে। বাড়াতে হবে গাছের সংখ্যা। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে পুর্ণ বয়স্ক মানুষেরা যদি প্রতিবছর ১টি করে হলেও গাছের চারা বা কলম রোপন করেন, তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই গাছপালা, লতা গুল্ম বেড়ে ভরে যাবে দেশ।

পরিবেশ আজ বিপর্যন্ত ও হুমকির সম্মুখিন। বর্তমানে পরিবেশ দূষণ মানব সভ্যতার জন্য বিরাট হুমকিস্বরূপ। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট পরিবেশ বিজ্ঞানী চবঃবৎ ডধষষরংঃড়ৎ বলেছেন ঊহারৎড়হসবহঃধষ ঢ়ধষষঁঃরড়হ রং ধ মৎবধঃ ঃৎবধঃ ঃড় ঃযব বীরংঃবহপব ড়ভ ষরারহম নবরহমং ড়হ ঃযব ড়হ ঃযব বধৎঃয.” আধুনিক সভ্যতার কর্মনাশা স্রোতে আরণ্যক পরিবেশ আজ ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে।

ফলজ, বনজ, ভেষজ প্রতিটি বৃক্ষেরই সামগ্রিক পরিবেশের ওপর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছ। আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় জীবনে গাছের অবদান অতি গুরুত্বপূর্ণ। গাছ গ্রামীণ জনগণের কাছে এটি গৌণ হলেও গ্রামীণ মানুষের কাছে তা অত্যন্ত মূল্যবান। গাছ খাদ্য দেয়, অক্সিজেন দেয়, জ¦ালানি দেয়, আসবাবপত্র ও গৃহনির্মাণের সামগ্রী দেয়। জীবন রক্ষার নানা ওষুধ দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাসগৃহ রক্ষা করে। তাই বৃক্ষ ছাড়া জীবন কল্পনাও করা যায় না।
পরিবেশ সংরক্ষণে গাছের অবদান অপরিসীম। প্রতিদিন বাতাসে সঞ্চিত হাওয়া ক্ষতিকর গ্যাস ও বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে বায়ু দূষণমুক্ত রাখে। কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে অক্সিজেনে পরিণত করে। গ্রীণ হাউজের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। নদ-নদীর উৎসগুলোর পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। ভূমি ক্ষয়রোধ করে এবং বন্যার প্রকোপ থেকে আমাদের রক্ষা করে। কৃষি জমির গুণাগুণ রক্ষা করে জমির উর্বরতা রক্ষা করে। তাপ ও প্রবণ বাতাস থেকে ফসল, প্রাণী ও জনগণকে রক্ষা করে এবং আশ্রয় দান করে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য, সংরক্ষণে সহায়তা করে। মাটির তলদেশের পানির স্তর ওপরে টেনে সেচ যন্ত্রের নাগালে রাখতে সহায়তা করে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়ায়। গাছপালা ও বনভূমি নির্মূল করার ফলে প্রকৃতিতে প্রয়োজনের তুলনায় অক্সিজেন হ্রাস পাচ্ছে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশে কার্বন ডাই-অক্সাইডের কার্বন নামক অতীব ক্ষতিকর এক প্রকার গ্যাস, গ্রীণ হাউস গ্যাস ও পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বায়ুমন্ডলে ওজোনস্তর দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাথে সাথে সূর্যের ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূ-পৃষ্ঠে চলে আসছে। এতে ক্যান্সার রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মেরু অঞ্চলের বরফগলা শুরু হওয়ায় সমুদ্র পৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ভূ-পৃষ্ঠের নিম্নাঞ্চল ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে মরু অঞ্চলের সৃষ্টি হচ্ছে। বন্যা, ঝড়- ঝঞ্ঝা ও জলোচ্ছাসের ন্যায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাড়ছে। নিঃসন্দেহে বৃক্ষরোপন একটি মহত্য প্রচেষ্টা ও সদকায়ে জারিয়া। প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীব বৈচিত্র সুরক্ষায় এবং অর্থনৈতিক ও আর্থসামাজিক উণ্নয়নে বৃক্ষের অবদান অপরিসীম। মানুষের জীবনধারণের জন্য খাদ্যসহ যে সব মৌলিক চাহিদা রয়েছে বৃক্ষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সবগুলো পূরণ করে থাকে, মোট কথা বৃক্ষ আমাদের জীবন ও জীবিকার আঁধার ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ঝুঁকিহীন এক নিরাপদ বিনিয়োগ।

বৃক্ষের এতসব উপকারী দিক থাকা সত্ত্বেও অজ্ঞতার কারণে এবং অসচেনতনার অভাবে নির্দ্বিধায় গাছপালা কেটে রান্নার কাজে ব্যবহার করছে। কখনো চাষাবাদের জন্য গাছ-পালা কেটে সম্পূর্ণ বনকেই নিঃশেষিথ করে ফেলছে। তাই আমাদের পরিবেশ তথা আবহাওয়া, জলবায়ুর ভারসাম্য বজায় রাখা এবং খরার নিমিত্তে কারণে খাদ্য ঘাটতির হাত থেকে দেশকে রক্ষার নিমিত্তে বনাঞ্চল সৃষ্টি ও বন সম্প্রসারণের বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কুরআন ও হাদিসের আলোকে বৃক্ষরোপন একটি এবাদতও বটে।
তাই বৃক্ষ নিধন নয়, বরং বৃক্ষরোপনই আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। দেশ ও জাতির স্বার্থ বৃক্ষরোপনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। গাছেরও মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করার মাধ্যমে আমাদের দেশকে বদলে দিতে হবে। আর প্রচুর পরিমাণ বৃক্ষরোপনকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশ হয়ে ওঠবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়নাভিরাম এক অকৃপণ ঔদার্য আর তাই আসুন আমরা সকলে মিলে দুটি করে গাছ লাগাই যাতে করে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি সুন্দর নির্মল ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে পারি।
লেখক:
সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ,সভাপতি শারীরিক শিক্ষাবিদ সমিতি
চেয়ারম্যান গ্রিন ক্লাব,শিক্ষক,গবেষক,সাংবাদিক,কলামিস্ট