টাঙ্গাইলে বাসে ডাকাতি,গ্রেফতার-১০,বাসের নারীদের ধর্ষণের আলামত মিলেছে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলে বাসে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ ডাকাতকে।বাসের নারীদের ধর্ষণের আলামতও মিলেছে।

কুষ্টিয়া থেকে নারায়ণগঞ্জগামী ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস সিরাজগঞ্জ রোড মোড় এলাকায় পৌছালে একদল ডাকাত যাত্রীবেশে ঐ বাসে উঠে পড়ে।বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকা পার করলে চালককে মারধর করে ডাকাতদলের সর্দার বাসের ড্রাইভিং সিটে বসে বাসের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা বাসের চালক ও সুপারভাইজার, হেলপারসহ অন্যান্য সাধারণ যাত্রীদেরকে হাত মুখ বেঁধে সীট কভার দিয়ে মুখে মুখোশ পড়িয়ে মুখমন্ডল ঢেকে দেয় এবং যাত্রীদের সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে। এই সময়ে তারা দুই নারীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়। পরবর্তীতে টাঙ্গাইলের হাটুভাঙ্গা মোড় হয়ে মধুপুরে যাওয়ার পথে মধুপুরের রক্তিপড়া এলাকায় রতন গাড়ি চালনার সময় লুটকৃত মালামাল নিয়ে ডাকাত দলের সদস্যদের মধ্যে বাক-বিতন্ডার কারণে রতন পিছনে তাকালে বাসটি রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক খুটি ও বালুর সাথে বাসের সংঘর্ষ হলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একপাশে হেলে পড়ে। তখন ডাকাতদলের সবাই মালামালসহ বাস থেকে নেমে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করে। ইতিমধ্যে র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হয়েছে।গ্রেফতারকৃতরা হলো মূল পরিকল্পনাকারী মো. রতন হোসেন (২১), তার সহযোগী মো. আলাউদ্দিন (২৪), মো. সোহাগ মন্ডল (২০), খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), মো. বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), মোঃ আব্দুল মান্নান (২২), মো. নাঈম সরকার (১৯), রাসেল তালুকদার (৩২), মো. আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)।এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত ২০টি মোবাইল, ১৪টি সিম, ক্ষুর উদ্ধার করা হয়। লুট হওয়া দুটি রূপার চুড়ি উদ্ধার করা হয়।

টাঙ্গাইল মহাসড়কে ডাকাতির সময় ঈগল পরিবহনের বাসটির একাধিক নারী যাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণ করেছে ডাকাতরা। ঘটনার সময় ওই বাসে অন্তত ৬ জন নারী ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে র‌্যাব। যাদের প্রত্যকেই শ্লীলতাহানি শিকার হয়েছেন। কাউকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ছবি-সংগৃহীত

শিরোনাম