করোনার ত্রাণ সামগ্রী পচে যাওয়ায় ইউএনও রুনা লায়লাকে শোকজ

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে করোনায় অসহায়দের জন্য বরাদ্দকৃত জরুরী ভিত্তিতে ত্রাণ সহায়তার খাদ্য সামগ্রী পচে যাওয়ায় এবং এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লাকে শোকজ করেছেন জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস। শনিবার (১২ জুন) বেলা ২টার দিকে সাংবাদিদের তিনি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, করোনা মহামারীর জন্য আসা ইউএনওর গ্যারেজে ত্রাণ-সামগ্রী পচে নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠে। ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে অনেকেই যেখানে খাদ্য-সামগ্রী পাচ্ছে না,সেখানে ইউএনওর অফিসের গ্যারেজে খাদ্য সামগ্রী পচে নষ্ট হয়ে গেছে। আর এ নিয়ে এখন চলছে সর্বত্র তোলপাড়।

তদন্তে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) রুনা লায়লার গুদামে রাখা ১০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ৯০ প্যাকেটই পচে নষ্ট হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্যাকেটে থাকা আলু-পেঁয়াজ পচে গেছে। চাল, ডালও নষ্ট হওয়ার উপক্রম।

উপজেলা মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, ওগুলো ইউএনওর গ্যারেজে ছিল। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারব না ।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এমন তথ্য কে দিয়েছে। ১’শ প্যাকেটের মধ্যে ৫৪প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বাকি প্যাকেটের কিছু আলু পচে গেছে। সেগুলো কিনে বিতরণ করা হবে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস বলেন-এ ঘটনায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। এবং রোববারের মধ্যে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে শনিবার (১২ জুন) বেলা শোয়া একটার দিকে মোবাইল ফোনে ইউএনও রুনা লায়লার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি সংবাদ জমিনকে জানান, পচতেই পারে,আমার বাড়ির আলুও পচে গেছে। তবে প্রায় দেড়শ’র মত ৩৩৩ নম্বরে ফোন এসেছিল,আমাদের বরাদ্দ ছিল ১০০ জনের। তার মধ্যে ৫৭ জন অসহায়কে ইতিমধ্যে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।