একজন ভার্সেটাইল আলতাফ

মো.ছামির হোসেন ঃঃ
পৃথিবীতে কিছু মানুষের জন্ম সাদামাটা হলেও তারা নতুন সভ্যতা,নতুন অধ্যায়ের সূচনায় চিহ্নিত হন। অনেক মহাপুরুষ এই মাটির পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছেন, যাঁদের কীর্ত্তি অতুলনীয়। তেমনি বাংলা ও বাঙালির মাঝে মো.আলতাফ হোসেন স্মরণীয়। জীবন যেমন পুষ্প শয্যা নয় তেমনি সফলতাও রাতারাতি ধরা দেয় না। সফলতাকে অর্জন করে নিতে হয়। এ পর্যন্ত যারা পৃথিবীতে সফল হয়েছেন তাদের সফলতার পেছনে রয়েছে বিরাট ইতিহাস। কর্মই সফলতার উচ্চাসনে নিয়ে যায়। আত্মবিশ^াস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতা দেখিয়ে গণমনে জায়গা করে নিয়েছেন বরেণ্য সাংবাদিক ও প্রখ্যাত কলামিস্ট মো.আলতাফ হোসেন।

মো.আলতাফ হোসেন সফল স্মরণীয় বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি। প্রাথমিক জীবন অদম্য অধ্যবসায় আর নিরলস কর্মপদ্ধতি ছিলো যার পথ চলার পাথেয়,সেই জ্ঞানসাধক মো.আলতাফ হোসেন ১৯৬৯ সালের ২০ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার অন্তর্গত সিংগাইর উপজেলার আজিমপুর গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন ঢাকার আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন,মাতা জরিফা খানম। বড় ভাই সরকারি চাকুরিজীবী ও মেঝো ভাই সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের ভাইস প্রিন্সিপল। মো.আলতাফ হোসেনের শিক্ষালাভ,সাহিত্যচর্চা এবং সামগ্রিক মূল্যবোধ গঠনে তাঁর পিতা-মাতার যথেষ্ট অবদান ছিলো। মো.আলতাফ হোসেনের তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। নিজের সব কর্মফলকে পৃথিবীর মানুষের কল্যাণে বিনা শর্তে দান করে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন,তা ইতিহাসে বিরল। কর্মই মানুষকে বড় করে যেমনটা করেছে মো.আলতাফ হোসেনের বেলায়। পেশায় একজন শিক্ষক। শুধু শিক্ষক হিসেবে তাঁকে আখ্যায়িত করলে ভুল হবে। তিনি একজন দক্ষ সংগঠকও। কাজ করছেন পরিবেশ,খেলাধুলাসহ অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকান্ড নিয়ে। প্রিয় পাঠক,আসুন পরিচিত হই তাঁর সঙ্গে।

মো.আলতাফ হোসেন ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে খুব ভালোবাসতেন। প্রাথমিক স্কুল জীবন থেকেই তাঁর কঠোর অনুশীলনের পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি যেমন ছিলেন মেধাবী,তেমন তেজস্বী। ঢাকার আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালীন সময়ে তিনি শীর্ষ স্থানের অধিকারী ছিলেন। স্কুল জীবনেও তিনি খেলাধুলায় চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। খেলাধুলায় চ্যাম্পিয়নশীপ অর্জনের মাধ্যমে তিনি একজন শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ হিসেবে নিজেকে অলংকৃত করতে সমর্থ হয়েছেন। জনপ্রিয় অন্যান্য খেলাধুলার মধ্যে মার্শাল আর্ট এর প্রতি তার ঝোঁক ছিলো খুব বেশি। তাই স্কুল জীবন থেকেই প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলা হিসেবে মার্শাল আর্ট তথা কারাতকে বেছে নেন মো.আলতাফ হোসেন। কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমেই মার্শাল আর্টকে আপন করে নেন তিনি। বি.এ পাশের পর তিনি বি.পিএড কোর্স সম্পন্ন করেন শারীরিক শিক্ষা কলেজ,মোহাম্মদপুর ঢাকা থেকে ১৯৯৩-৯৪ সালে। ঐ একই বছরে শুরু হয় তাঁর কর্মজীবন শিক্ষকতা দিয়ে হাসনাবাদ কামুচাঁনশাহ উচ্চ বিদ্যালয় কেরাণীগঞ্জে। প্রায় দু’বছর কর্মতৎপরতার মধ্যে দিয়ে একই পদে তিনি ১৯৯৬ সালে নিয়োগ পেয়ে যোগদান করেন ঐতিহ্যবাহী জিনজিরা পী.এম.পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ। ২০০০ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে অনুষ্ঠিত কারাতে প্রতিযোগিতায় গোটা দেশ ব্যাপি ৫০০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁর অসাধারণ নৈপুণ্য ও পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে শ্রেষ্ঠ ফাইটার হিসিবে মার্শাল আর্ট তথা কারাতে ‘ব্লাক বেল্ট ১ম ড্যান’ অর্জনে সমর্থ হয়েছেন।

আবহমান কাল ধরে বাঙালি তাঁর সৃষ্টিশীলতার সাক্ষর রেখে চলেছে সাহিত্য,দর্শন,অর্থনীতি,রাজনীতিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে। অতীতের সেই ঢাকাপড়া ইতিহাস খুঁড়ে আনলেই দেখতে পাওয়া যায় বাঙালীদের অবদান যা পৃথিবীকে এগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম বাণী চিরন্তনী গ্রন্থটি বাংলা-ইংরেজি একসাথে লিপিবদ্ধ করতে সমর্থ হয়েছেন বাণী চিরন্তনী ও প্রবাদ সম্রাট মো.আলতাফ হোসেন। যিনি তাঁর সৃষ্টিশীলতায় অবদান রেখেছেন ২০০৬ সালের প্রকাশিত ‘এ বুক অব গোল্ডেন টাচ্ কোটেশনস্’ বইটির মাধ্যমে। আবিষ্কার যেমন পৃথিবীকে ভাবনার নতুন জগতে নিয়ে যায়,সময়ের গতিধারায় তিনি এক মেধা-মনন-কর্ম-অধ্যবসায়-সাধনা ও সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন।

ইতিহাসে ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব রক্ষায় যে মহৎ প্রাণের অধিকারী ব্যক্তিরা জীবনের অধিকাংশ সময়ই ব্যয় করেছেন এবং অসামান্য অবদান রেখেছেন, মো.আলতাফ হোসেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তিনি পরিবেশ,শিক্ষা,মাদক,নারী নির্যাতন,শিশুশ্রম,বাল্যবিবাহ,মানব অধিকার ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে রিপোর্ট করে যাচ্ছেন। নন্দিত সৃজনশীল এই লেখক জাতির জন্য উপহারস্বরূপ নতুন চমক দিবেন বাংলাদেশে এই প্রথম ব্যতিক্রমধর্মী গ্রন্থ ‘‘এ ডিকশনারী অব ওয়ার্ড ডিসেকশন’’। এই গ্রন্থে রয়েছে এ টু জেড শব্দের উচ্চারণ,অর্থসহ বাক্য,পদ প্রকরণ ও এর অর্থ,প্রতিশব্দ সমর্থক শব্দসহ ৪৩ হাজারের অধিক শব্দের বিশ্লেষণ। এ গ্রন্থটি তাঁর অনন্য সৃষ্টি।

২০১৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ক্রীড়া শিক্ষক সম্মাননা পদক লাভ করেন কিংবদন্তি সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ মো. আলতাফ হোসেন। একই বছর শ্রেষ্ঠ সৃজনশীল লেখক এর আসন অলংকৃত করতে সমর্থ হয়েছেন তিনি। একই বছর শারীরিক শিক্ষাবিদ সমিতি কেরাণীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি পদে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়। তিনি গ্রিন ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষা, পরিবেশ উন্নয়ন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রচার-প্রকাশনায় এবং সামাজিক সচেতনমূলক কর্মকান্ডে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ “গ্রিন ক্লাব” কেরাণীগঞ্জের শ্রেষ্ঠ সংগঠন হিসেবে নির্বাচিত হয়। ২০১৫ সালে তিনি শারীরিক শিক্ষা পদে সিংগাইর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। একই বছর তিনি গড়ে তুলেন গ্রিন ক্লাব মানিকগঞ্জ নামক একটি সংগঠন । ২০১৫ সালে একুশে বই মেলায় পরিবেশ বিষয়ক “পরিবেশ ও মানবিক চেতনা” নামক গ্রন্থটি বের হলে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেন সৃজনশীল লেখক মো. আলতাফ হোসেন।

২০১৬ সালে তিনি আঞ্চলিক স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মুক্তাগাছায় অনুষ্ঠিত ৩৪১তম স্কাউট ইউনিট লিডার অ্যাডভান্সড কোর্স ও স্কাউট লিডার স্কিল কোর্স কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। উপজেলা প্রশাসন,সিংগাইর,মানিকগঞ্জ কর্তৃক উপজেলা পর্যায়ে ০৯-১১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত আয়োজিত উন্নয়ন মেলা-২০১৭ সংগঠন হিসেবে গ্রিন ক্লাব মানিকগঞ্জ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের তথ্যচিত্র উপস্থাপন ও প্রদর্শনে অংশগ্রহণ করায় সম্মাননা পদকে ভূষিত করা হয়। সফল ক্যারিয়ার গঠনে তিনি নিজেক সমাজে একজন যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে সমর্থ হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সফল শিক্ষক,ক্রীড়াবিদ,সাংবাদিক,কলামিস্ট,সংগঠক ও সৃজশীল লেখক মো.আলতাফ হোসেন উইথ সাকসেস স্টোরী @ রাঙ্গা সকাল (মাছরাঙ্গা টিভি) তে সকাল ৭টা হতে ৮টা পর্যন্ত লাইফ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। ২০১৭ ও ১৮ সালে বেশ কয়েকটি শিক্ষামূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে (সেভ-১, সেভ-২, বৃষ্টি ভেজা রাত) মূল চরিত্র তথা শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয়তা পান তিনি। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৮ মানিকগঞ্জ জেলা শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হন স্কাউটার মো.আলতাফ হোসেন।

জাতীয় ক্ষেত্রে শিক্ষা,পরিবেশ উন্নয়ন ও দূষণ প্রতিরোধে এবং সামাজিক সচেতনমূলক কর্মকান্ডে প্রচার ও প্রকাশনায় এক উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় বিভিন্ন স্কুল,কলেজ,উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে অসংখ্য সম্মাননা পদক লাভ করেছেন মো.আলতাফ হোসেন। তিনি নানা বিষয়ে গবেষণা করছেন। তিনি একাধারে গবেষক,শিক্ষক,সাংবাদিক,কলামিস্ট,সৃজনশীল লেখক,সংগঠক, ক্রীড়াবিদ,পরিবেশপ্রেমী ও স্কাউটার হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।

কর্মক্ষেত্রেও তিনি রয়েছেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো। প্রকৃতি ও পরিবেশ সচেতন সাংবাদিক মো.আলতাফ হোসেন ২০১৩ সাল থেকে সাপ্তাহিক রোববার ও পাক্ষিক ক্রীড়ালোকের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৩ সাল থেকে সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে দৈনিক রোববার ও পাক্ষিক ক্রীড়ালোক পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত আছেন। এই সাংবাদিকের আগ্রহের বিষয় কৃষি,প্রকৃতি,পরিবেশ ও জলবায়ু। বি.এ.বি-পি-এড পাশ করা এ সাংবাদিক নিজেকে সমৃদ্ধ করতে নিয়েছেন শিক্ষামূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ। তাঁর চমৎকার বস্তুনিষ্ঠ অসংখ্য লেখা ও অর্জনকৃত ছবি বিভিন্ন শীর্ষ জাতীয় দৈনিক ইংরেজি-বাংলা,সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

পরিবেশ,মাদক,নারী নির্যাতন,শিশুশ্রম,মানবাধিকার,বাল্য বিবাহসহ ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক সমসাময়িক ধারাবাহিকভাবে সহস্রাধিক কলাম,ফিচার, প্রতিবেদন, প্রবন্ধ লিখে ইতিমধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন বরেণ্য সাংবাদিক ও প্রখ্যাত কলামিস্ট মো. আলতাফ হোসেন। এছাড়াও তিনি পরিবেশ বিষয়ক ও সৃজনশীল বই লিখে ইতিমধ্যে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। ক্রীড়া ও পরিবেশপ্রেমী একজন আলতাফ নিজেকে সফল মানুষ হিসেবে সমাজে উপস্থাপন করতে সমর্থ হয়েছেন। কিংবদন্তী সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ ও মানিকগঞ্জ জেলা গ্রিন ক্লাব চেয়ারম্যান মো. আলতাফ হোসেন পরিবেশ উন্নয়নের যেমন রোল মডেল তেমনি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক সচেতনমূলক কর্মকান্ডের একজন চৌকষ সফল ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব।

বঙ্গের নদীকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে আমাদের জীবনের বেঁচে থাকার আবাসভূমি। নদী প্রবাহে রয়েছে প্রাণের স্পন্দন-মানবসভ্যতা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক ইতিহাস তার সাক্ষী। একজন কৃতি লেখক মো.আলতাফ হোসেন তাঁর কথা ও লেখনী দ্বারা ঐতিহ্যবাহী বুড়িগঙ্গা নদীসহ গোটা দেশের নদ-নদী দখল ও দূষণরোধে জোরালো যুক্তি দিয়ে নদীকে বাঁচানোর দাবিতে দিনের পর দিন করে যাচ্ছেন লড়াই। খাল-বিল ও নদী দখল দূষণ ছাড়াও সুন্দরবনের দস্যূবাহিনীর মুক্তিপণ আদায় হরিণ ও বাঘ শিকার এবং বনের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করার বিষয়েও তাঁর রিপোর্টে ওঠে আসে। রিপোর্ট করতে গিয়ে হুমকির মুখেও পড়েন তিনি। তবুও ক্ষমতাসীনদের চোখ রাঙানিতেও কলম থামেনি তাঁর।

নিঃসন্দেহে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে মানবজাতি।করোনা নামক মহামারি বাতাসের সাথে ছড়িয়ে নিভিয়ে দিচ্ছে মানবসভ্যতার আলো। মানুষ যখন প্রতিটি মুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুণছে ঠিক এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতিও থামিয়ে দিতে পারেনি আলতাফ হোসেনের কর্ম প্রচেষ্টাকে। তিনি এই বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে মানুষের মধ্যে জে¦লে দিয়েছেন জ্ঞানের আলো। তিনি মানুষের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন তাঁর সৃজনশীলতার মননে উপমহাদেশের ১০জন শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, উপমহাদেশের ২০জন শ্রেষ্ঠ বাঙালিদের জীবন ও কর্ম, কোরআন ও হাদিসের আলোকে ২৫ জন নবী ও রাসূল এর জীবনী, শত মনীষীর জীবন ও কর্ম, শত কবি- সাহিত্যিকের কথা, শত ইসলামী স্কলারদের জীবন ও কর্মসহ বাংলাদেশের নদ-নদীর হালচিত্র, পরিবেশ, শিক্ষাসহ সমসাময়িক সামাজিক প্রেক্ষাপটের গুরুত্বপূর্ণ অসংখ্য লেখা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায়। তাঁর এ প্রকাশিত লেখা দিয়েই বেশ কিছু বই প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে যা ব্যতিক্রমী এক অনন্য সৃষ্টিশীলতার সাক্ষর।

পরিবেশবিদ মো.আলতাফ হোসেন পরিবেশ নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। সখে নয়, পরিবেশ উন্নয়নে ছাদ বাগান করেছেন পরিবেশবিদ মো.আলতাফ হোসেন। এ ছাদ বাগানে রয়েছে বারোমাসি আমগাছ,আমড়া গাছ,পেয়ারা গাছ,কামরাঙা গাছ,লেবুসহ নানা প্রজাতির গাছ। তিনি বলেন,‘‘একটু পরিশ্রম আর পরিকল্পনায় বাড়ির কংক্রিটের ছাদটি পরিণত হতে পারে সবুজ শ্যামল মাঠে। ছাদ বাগানের মাধ্যমে গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যায়,পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে, বায়োডাইভারসিটি সংরক্ষণ করা যায়। এ ছাড়া তাঁজা শাকসবজি, ফলমূলের চাহিদাও মেটে।’’বৃক্ষের প্রতি মো.আলতাফ হোসেনের ভালোবাসাই যেনো সফলতার অন্যতম নিদর্শন।

পৃথিবীর বুকে বিধাতার আর্শীবাদে কিছু মানুষেরর আর্বিভাব ঘটেছে। আমাদের কাছে বিধাতার সেই আর্শীবাদ ব্যক্তিত্ব,চেতনা,ধর্মসাধনা, সর্বোপরি জ্ঞান তপস্যায় পৃথিবীর ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মো.আলতাফ হোসেন। তাঁর মধ্যে আছে একজন যোগ্য শিক্ষকের প্রজ্ঞা, সমাজসংস্কারকের অর্ন্তদৃষ্টি এবং মানবতাবাদীর নির্মল চেতনা। কতখানি আগ্রহ ও একাগ্রতা থাকিলে মানুষ শিক্ষার জন্য এরূপ কঠোর সাধনা করতে পারে তা ভাবার বিষয়। মো.আলতাফ হোসেন বাংলা,ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী হলেও মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে খুবই রক্ষণশীল। জেনারেল পড়াশুনার পাশাপাশি দু’টি সন্তানকে গড়ছেন ইসলামিক লাইনে। পারিবারিকভাবেও তিনি বেশ সুখি।

ইসলাম ধর্মের অনুসারী মো.আলতাফ হোসেন ধর্মীয় আচারের আন্তঃসারশূন্য আবেগকে তিনি কখনো প্রশ্রয় দেননি। এমনকি একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে কোনোদিন মাথা নত করেননি এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে মা-বাবার আদর্শ ছিলো তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস। তাছাড়া তিনি লাগাতার ২০ বছর ইসলাম ধর্মমতে এতেকাফ এর পরিচয় একটি ঐতিহাসিক প্রয়াস। গরিবগুর্বো অসহায় মানুষের সেবার মধ্যেই খুঁজে পেয়েছেন ধর্মের প্রকৃত সত্য।তাঁর বহুমুখি প্রতিভার দ্বারা সমাজ-সংস্কারসহ শিক্ষাক্ষেত্রেও রয়েছে অতুলনীয় অবদান। নানা গুণের সম্মিলন ঘটায় তিনি জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে রেখেছেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।সাধারণ জীবনযাপন করলেও অসাধারণ কীর্তিতে সর্বজন নন্দিত।দেশ মাতৃকার জন্য জননীর মতো দরদ যেমন তেমনি আছে আত্মসম্মানবোধ।সমাজ তথা মানুষের উন্নতি বিধানের জন্য তিনি যে সমস্ত কাজ করছেন,তার মূলে রয়েছে মানবতাবোধ। তিনি ইতিবাচক দিকগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে জীবনে সাফল্য লাভের জন্য আলোর পর্দাটা তুলে দিতে সচেষ্ট সবসময়। তিনি কাজ করছেন মানুষের জন্য,মানুষের কল্যাণের জন্য। ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের কারণে যখন বিশ^টা থমকে গিয়েছে ঠিক তখন তিনি গরিব অসহায় মানুষের পাশে এসে সেবার হাত বাড়িয়ে দেন।

বিশ্ব ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন এমন কিংবদন্তি ব্যক্তির জীবন ইতিহাস জানতে কে না চায়। এমনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ মো.আলতাফ হোসেন। শিক্ষা আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের হাতিয়ার আর শিক্ষক হলো তার সুনিপুণ কারিগর,শিক্ষক সভ্যতার অভিভাবক, সমাজের অভিভাবক। কার্যত শিক্ষক বলতে একজন আলোকিত, জ্ঞানী-গুণী ও বুদ্ধিদীপ্ত পন্ডিত ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি সভ্যতার বিবর্তনের অনুঘটকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শিক্ষা দিতে-নিতে নিবেদিত প্রাণ,সেবক,ব্যবসায়ী নন। আদর্শ শিক্ষক মানুষকে চূড়ান্ত কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন। শিক্ষক মূল্যবোধ বিনির্মাণের আদর্শ কারিগর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূল্যবোধ চর্চার অনন্য কারখানা। একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে মূল্যবোধে উজ্জীবিত করে সমাজকে করতে পারে আলোকিত ও উদ্ভাসিত। তিনি তাঁর আচার-আচরণ,মন ও মননে নিজেই বটবৃক্ষের প্রতীক। তাঁর অসামান্য কীর্তি আজীবন তাঁকে জ্বলজ্বল করে রাখবে বাঙালির চেতনায়-প্রেরণায়।

বরেণ্য সাংবাদিক মো.আলতাফ হোসেন সমসাময়িক বিষয় তাঁর লেখনিতে ফুটিয়ে তুলতে সচেষ্ট। তিনি সচেষ্ট অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে।তবে তাঁর চেয়ে বেশি তিনি যুদ্ধ করছেন তাঁর লেখনির মাধ্যমে। মো.আলতাফ হোসেন এই সময়ের সেরা চিন্তাবিদদের একজন। তাঁর যে কোনো বই পৃথিবীর নানা প্রান্তে মনীষীমন্ডলীতে আলোড়ন জাগায়। তাঁর পান্ডিত্যের গভীরতা ও বিস্তার বিস্ময়কর কেবল তাঁর ঝলকেই অভিভূত হতে হয় বারবার,সঙ্গে যোগ হয় তাঁর চিন্তার সৃষ্টিশীলতাও। ধ্যান-ধারণার জগৎকে তা প্রসারিত করে, নতুন পথে চালিতও করে। হিসেবে তাঁর খ্যাতি বিশ্বজোড়া।

মো.আলতাফ হোসেন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের একজন সফল নায়ক। বিরল অণুপ্রেরণাময় দৃষ্টান্তের বহু প্রতিভার শিরোমনি ও পরিবেশবিদ মো.আলতাফ হোসেন দেশকে সবুজের সমারোহ ছেঁয়ে দিতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বিভিন্ন জাতীয় দিবস থেকে শুরু করে উন্নয়নমূলক সকল সচেতনতামূলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে বিনামূল্যে পরিবেশের জন্য গাছের চারা,বই ম্যাগাজিন,পত্র-পত্রিকা,লিফলেট বিতরণসহ বৃক্ষরোপণ,চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন সেমিনার আলোচনার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সাফল্য অর্জন করেছেন। সাফল্য অর্জন করা নিয়ে তিনি বলেন,‘‘সাফল্য লাভ করতে হলে আত্মার পরিশুদ্ধতা,সুদৃঢ় অধ্যবসায় ও প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকা চাই। প্রবল ইচ্ছা শক্তির কাছে পৃথিবীর সমস্ত প্রতিকূলতাই নতী স্বীকারে বাধ্য। লক্ষ্য স্থির করো; লক্ষে উপনীত না হওয়া পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে লেগে থাকো। নিশ্চয়ই লক্ষে উপনীত হবে।’’

পরিবেশ বিষয়ক সাংবাদিক মো.আলতাফ হোসেন পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন সভা সেমিনার ও মানবন্ধনে অংশ নিচ্ছেন। পরিবেশ জলবায়ু বিষয়ে অংশ নিতে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করেছেন। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে অংশ নিয়ে পরিবেশ ইস্যুতে থাকেন সরব তুলে ধরে বৈরি প্রকৃতির বাস্তব চিত্র। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি পরিবেশ ও মানবিক চেতনা নামক বইটিও যেনো আজ দেশের নানা প্রান্তে আলোড়ন জাগায়। তথ্য প্রযুক্তির যুগে ফেসবুক একটি জনপ্রিয় প্রচার মাধ্যম। তাঁর ফেসবুক পেইজে পরিবেশ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আপলোড করে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। সচেতনতা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং তাঁর মহতী উদ্যোগ দেশ ও জাতির অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির পথ উম্মোচনে অতিশয় ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ প্রচার ও প্রকাশনায় বিশেষ অবদানে সেখানেও তিনি কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাছাড়া বিভিন্ন সভা সেমিনারসহ জাতীয় দিবসগুলোতে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংগ্রহণ করে তিনি দেশের মানুষদের সচেতনতার লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

পরিবেশ বিষয়ক সাংবাদিক মো.আলতাফ হোসেন একজন নিবেদিত নাম। পরিবেশ বিষয়ে তাঁর অনেক প্রবন্ধ বিভিন্ন সভা সেমিনারে উপস্থাপন হয়েছে। বাংলাদেশের নদ-নদী হালচিত্রসহ অসংখ্য বই লিখেছেন তিনি। কিছু বই প্রকাশিত হয়েছে আর বেশ কিছু বই প্রকাশনার অপেক্ষায় রয়েছে।তাঁর বইগুলো বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী,গবেষণা কর্মী ও সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সহায়ক হিসেবে কাজে আসবে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন গার্ডেনের জমি দখল নিয়ে তাঁর একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। নতুন প্রজন্মকে পরিবেশ সম্পর্কে সতেচন করতে স্কুল,কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনায় বসেন মো. আলতাফ হোসেন। তাছাড়া রাজধানীর শব্দ দূষণ বায়ু দূষণ ও ইটভাটার দূষণ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিতই রিপোর্ট করে যাচ্ছেন তিনি।
আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনে শিক্ষকের খেলাধুলাসহ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড সৃষ্টিশীল প্রজন্ম গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখেন মো.আলতাফ হোসেন। তাঁর রয়েছে ক্রীড়ার প্রতি অনুরাগ আর বদানের অসংখ্য সাক্ষর। স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সোনালী ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে সময়োপযোগী নানা পদক্ষেপে নিয়েছেন সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ আলতাফ হোসেন।

স্বীয় কর্ম ও সৃজনশীলতার মহিমায় ক্রীড়ানুরাগী মো.আলতাফ হোসেন ক্রীড়া ক্ষেত্রেও বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখিয়ে অর্জন করেছেন সর্বাধিক সংখ্যক সম্মাননা পুরস্কার। তিনি জাতীয় ক্ষেত্রে অর্জন করেছেন,‘কারাতে ব্লাক বেল্ট ১ম ড্যান’। এছাড়াও মানবাধিকার পদক,বিশ্ব শান্তি পদক,বঙ্গবীর জেনারেল এমএজি উসমানি স্মৃতি সম্মাননা পুরুস্কার, মানবাধিকার শান্তি পদক, আন্তার্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্মাননা পুরস্কার, পার্সোনালিটি এ্যাওয়ার্ড, হিউম্যান রাইটস্ শাইনিং পার্সোনালিটি এ্যাওয়ার্ড, পল্লীগীতি সম্রাট মরমী কণ্ঠশিল্পী আব্দুল আলীম স্মৃতি পদক, শের বাংলা একে ফজলুল হক স্মৃতি পদক, ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন স্মৃতি পদক, মুক্ততথ্য সম্মাননা পদক, মাওলানা আব্দুল হামিদ স্মৃতি পদক, আন্তার্জাতিক শ্রমিক দিবস সম্মাননা, বিচার প্রতি সৈয়দ মাহাবুব মুর্শেদ সম্মাননা পুরস্কার, বিজয় দিবস সম্মাননা পুরস্কার, মাদার তেঁরেসা সম্মাননা পুরস্কার,নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা স্মৃতি স্বর্ণপদক,মাদক বিরোধী দিবস পদক, কবি নজরুল সম্মাননা পদক,উম্মুক্ত ক্যাম্পাস এ্যাওয়ার্ড, পল্লী কবি জসিম উদ্দিন সম্মাননা পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পদকে ভূষিত হয়েছেন কিংবদন্তী সাবেক জাতীয় ক্রীড়াবিদ ও সফল সংগঠক মো.আলতাফ হোসেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন স্কুল,কলেজ,সংগঠন,সংস্থা,উপজেলা,জেলাসহ জাতীয় পর্যায়ে পরিবেশ শিক্ষা প্রচার ও প্রকাশনায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা ও সংবর্ধনা। লেখক হিসেবে মো.আলতাফ হোসেনের যেমন রয়েছে বিপুল পাঠকপ্রিয়তা, তেমনি একজন সফল সাংবাদিক হিসেবেও তাঁর রয়েছে অনেক খ্যাতি। শুধু তাই নয়,জাতীয় দৈনিক ইংরেজি-বাংলাসহ সাপ্তাহিক পত্রিকায় শিক্ষা,পরিবেশ, মাদক, নারী নির্যাতন,শিশুশ্রম,বাল্য বিবাহ,মানব অধিকার ও সমসাময়িক বিষয়ক ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েক হাজার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা ও ইংরেজি কলাম লিখে ইতিমধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করে ইতিমধ্যে জনমনে জায়গা করে নিয়েছেন বরেন্য সাংবাদিক ও প্রখ্যাত কলামিস্ট মো. আলতাফ হোসেন। সৃজনশীল লেখক হিসেবেও তাঁর রয়েছে অসাধারণ কৃতিত্বপূর্ণ অবদান।

বিশ্বের সকল সফল ও বিখ্যাত ব্যক্তিদের সফলতার পেছনে রয়েছে বিরাট ইতিহাস। অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়নি বলেই আজ তাঁরা সফল। এমনি একজন সফল ও নন্দিত ব্যক্তি যিনি সত্য-ন্যায় ও শান্তির অগ্রপথিক,শিক্ষা সাম্যের অগ্রদূত, মানবতার বলিষ্ঠ সাধক ভার্সেটাইল জিনিয়াস মো.আলতাফ হোসেন তিনি সমরশক্তি ছাড়া শুধুমাত্র মানসিক পরাক্রম দ্বারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসিকতার স্ফুলিঙ্গ তাঁকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়। নিজের জীবনের বিনিময়েও অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেননি কখনো। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তিনি সকলের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার পাত্র। চেষ্টা করছেন সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করবার। পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিপ্লবের।

শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় নিজেকে সমর্পণ করেও পরিবেশ,শিক্ষা,খেলাধুলা ও সামাজিক জনসচেতনতাসহ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে প্রচার-প্রকাশনায় এবং সাংস্কৃতিক জগতে তিনি যে অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন যা তাঁর জীবনকে করেছে সুন্দর ও সার্থক । দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনেও তিনি অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে জ্বেলে দিয়েছেন আলোর শিখা। তিনি এ কাজে জীবনকে করেছেন উৎস্বর্গকৃত। তাঁর মহতী কর্মকান্ড দেশ-জাতির অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথ উন্মোচনে অতিশয় ভূমিকা রাখবে।